

নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
ভাষা আন্দোলন [১]ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংঘটিত এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগ্রাম। –
মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
অধিকার আদায়ে বীরদর্পে গর্জে ওঠা আর আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া বাঙ্গালি জাতির পুরানো ইতিহাস। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও যুদ্ধে মেতে উঠেছিলেন বাঙালিরা।——
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক :বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকদাদ চৌধুরী
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
ক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকদাদ চৌধুরী ছিলেন একাধারে একজন প্রাবন্ধিক, গল্পকার, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক এবং একজন রাজনীতিবিদ।——-
লোক-সাহিত্য ও সংস্কৃতি
লোককবি নগেন সরকার
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
চিরকাল নীরবে যাঁরা লোক-সাহিত্যের সাধনা করেছেন, তাঁরা মূলত: নিভৃতচারী। তেমনি একজন মানুষ হলেন নগেন সরকার। ————–
নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মারক
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের মধ্যমার্চ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ হত্যা শুরু করে। ২৫ মার্চ থেকে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
নেত্রকোণার রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ মরহুম জননেতা আব্দুল খালেক এমপি, একটি নাম একটি ইতিহাস। ————
ভাষা সৈনিক জনাব সানাউল্লাহ নূরী
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের ইতিহাসে জনাব সানাউল্লাহ নূরীর[1] অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি ছিলেন ভাষা সৈনিক।———
বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানম
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানম[১], বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ অগ্রদূত, পুরোধা ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ——————
নেত্রকোনায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন যখন পাকিস্তানী স্বৈরশাসকের দ্বারা বাধাগ্রস্থ হতো তখন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ———
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর(অব:) এম এ মোত্তালিব
আহমেদ সামির
সাব-সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর(অব:) এম এ মোত্তালিব নেত্রকোনা সদর থানার দরিজাগী গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বরে নানার বাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন। তার———
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) ইজাজ আহমেদ চৌধুরী
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৮)-পরবর্তী সময়ে বাংলা কবিতায় বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে দেশে দেশে ঘটে গেছে সামাজিক বিপর্যয়। এর প্রভাব স্বাভাবিকভাবে —-
নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
ময়মনসিংহ জেলা ছিল স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের উর্বর স্থান। সেই সব আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু দত্ত উচচ বিদ্যালয়ের উত্তর পশ্চিম কোণে কাচারি রোডের সংযোগ¯স্থলে তিন রাস্তার মোড়ে বর্তমান শহীদ মিনারের প্রধান গেইটের ———
শহীদ বুদ্ধিজীবি নেত্রকোনা
গবেষক ইন্জীনিয়ার এম কে জামান
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের শেষের দিকে দেশের শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিকসহ নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পেশাজীবীদের টার্গেট করে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় মিত্ররা। ——
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নেত্রকোনা
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
নেত্রকোনা জেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা :- সদর থানায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জন বীর শহীদের তালিকা পাওয়া গেছে। তাদের ১ জন রণাঙ্গণের বাইরে এবং ১১ জন সরাসরি রণাঙ্গণে শহীদ[২] হয়েছেন।—-
মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না-১
আহমেদ সামির
মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরের অন্তর্গত মহেষখলা সাব-সেক্টর-১ তথা মহেষখলা ক্যাম্প[১]টি ছিল তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমার অধীন। ভারতের সীমান্তঘেঁষা ———– —-
মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না-২
আহমেদ সামির
মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরের অন্তর্গত মহেষখলা সাব-সেক্টর-১ তথা মহেষখলা ক্যাম্প[১]টি ছিল তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমার অধীন। ভারতের সীমান্তঘেঁষা ———–
বিজয়ের স্বপ্নে দেখা ৭১
মৃনাল কান্তি চক্রবর্তী
ঘড়ির কাটা সকাল ৭টা ছুই ছুই।পূর্ব আকাশে শীতের কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের লাল —————–
বীরাঙ্গনা মিরাসের মা
আনোয়ার হাসান
“ এটা এমন কোনো কঠিন বিষয় না। বুড়াপীরের মাজারে গেলেই মিরাসের মা-কে পাওয়া যায়। ———————–
একাত্তরের স্মৃতিকথা
শিল্পী ভট্টাচার্য
৭১’এর রক্তাক্ত ইতিহাস বহন করছে বেশির ভাগ পরিবার কিন্তু সবার কথা আমরা জানিনা। আমাদের —————–

